ব্লগ হোম

আমার কথা

 

 
 
 আমি জয়, জয় কবির। নেটে আমি জয়, আড্ডাবাজ, ~স্বপ্নজয়~, সুমন। বোহেমিয়ান টাইপের মানুষ। এক জায়গায় বেশিদিন ভালো লাগেনা, তাই মনের সুখে ঘুরি। ইন্টারনেটের জয় আর বাস্তবের আমি'তে অনেক তফাত অবস্য। ভালবাসি নেট লাইফ, মজা করে রাঁধতে আর খেতে পছন্দ করি। ভাতের চাইতে সিগারেটের প্রতি নেশাটা অনেক বেশি, অবস্য এলকোহলে আমার কোন আগ্রহ নেই। ক্লাস নাইনে থাকার সময় বাসা থেকে বের হয়েছি, আজও আমার ঘরে ফেরা হয়নি। দেশের গন্ডি পেড়িয়ে জীবন আমাকে টেনে এনেছে সিডনীতে, যদিও মনটা আমার দেশেই পড়ে থাকে সবসময়।

 

মতামত জরিপ

কি ব্রাউজার ব্যাবহার করেন?
 

সাইট পরিসংখ্যান

ব্লগ দেখেছেনঃ : 2423

অনলাইনে কে

ভালোবাসা
লিখেছেন জয়   
Wednesday, 08 April 2009
রাত ১২টা ০৫মিনিটে আমারে ফোন করে কে?  বিরক্ত হয়ে ফোন ধরি

- হ্যালো ......
- ওই ... ঘুমাস কেন এখন?
- আমি কি বাড়ির দারোয়ান? রাইত ১২টার সময় ঘুমামু না তো কি বইসা বইসা বাদাম খামু?
- আচ্ছা, দেশ উদ্ধার করছস ঘুমাইয়া
- ওই ... কাজের কথা বল
- কালকে সকাল ৮টার সময় কলেজের সামনে থাকবি, এক জায়গায় যাবো, তোর বাইকটা লাগবে
- আর আমারে লাগবেনা?
- না, তরে দিয়া আমার কুনু কাজ নাই, কাগজের দুকানে জাইয়া জিগা, ঠোঙ্গা বানানির জন্য তরে লাগলেও লাগতে পারে
- #*৳ঁ%ঁ#
প্রচুর শুকনা ছিলাম ছোটবেলায়, পুলাপাইন তাই মাঝে মাঝে খেপাতো
 
৮টার যায়গায় সাড়ে ৮টায় কলেজে গেলাম। গিয়া দেখি হুরুস্থুল বেপার। সবাই সাজুগুজু কইরা ... সেন্ট মাইরা ঘুরতেছে, কেউ ক্লাসে নাই।  ঘটনা কি? এক দোস্তরে জিজ্ঞেস করলাম, সে বললো আজকে না কি ভালোবাসা দিবস -- সেইটা আবার কি?

চায়ের দোকানে বাইক পার্ক করে চায়ের অর্ডার দেই। হঠাৎ পিছন থিকা রাম ধাক্কা, ওই ...... তরে ৮টায় আসতে বলছিলাম, এতোক্ষনে আসলি?

- আপনেও তো মাত্র আসলেন বস
- সেইটা ব্যাপারনা, তুই লেইট কেন?
- তূই কেমনে বুঝলি যে আমি লেইট?
- তুই হাতে চায়ের কাপ আর সিগ্রেট নাই, তার মানে তুই মাত্রই আসছস
- গ্রেট ... এখন বল ঘটনা কি?
- কাজ আছে, চা শেষ কর, আর দয়া কইরা আমার দিকে তাকা উজবুক

পেছনে তাকিয়ে রিতিমত হা হয়ে যাই, রিমাকে পুরাই অন্যরকম লাগছে আজকে, শাড়ী পরেছে, সেজেছে

- মুখ বন্ধ কর বান্দর, মাছি ঢুকবো, আর অন্য দিকে তাকা, লজ্জা লজ্জা লাগতেছে ...
- তোরে ...... তোরে না ......
- বইলা ফেল ... থাঙ্কু, আমি জানি কি বলবি
- না জানস না, তোরে রাজকন্যার ...
- চুপ
- শেষ করতে দে, তরে রাজকন্যার প্রিয় সখির ক্লোজ বান্ধবির মতো লাগতেছে
- হারামজাদা ... তরে ...... দৌড়াবিনা ... তোর বাইক ধাক্কা দিয়া ফালায় দিমু, কাছে আয়

বাইক আমার জান, দৌড় দিয়া পলালে রিমা সিওর বাইক ফেলে দিবে। ডেঞ্জারাস প্রকৃতির মেয়ে ছেলে ......
দুই হাতে মনের সুখে আমার চুল টানে কিছুক্ষন, দেখে দোকানদার হাসে ... এবং ঝাড়ী খায়

- চল, এক জায়গায় যাবো
- কই যাবি, তেল নাই বেশি
- তোর বাইকে কি কোনদিন বেশি তেল আছিলো?
- না, ছিলোনা, আমি গরিব মানুষ
- আমি তেল কিনা দিব, তুই চল ...
- তুই এই শাড়ী পইরা বাইকে বসবি? পইরা গেলে?
- তুই ধরবি
- আমার হাত ছুডূ, হাতি ধরতে পারুমনা

ধুম ধাম কয়েকটা কিল পড়লো পিঠে

শহরের সীমানা পেড়িয়ে অনেক দূরে চলে এলাম, কই যাচ্ছি জানিনা, দুইবার জিগেস করে ঝাড়ী খেয়েছি, রিমা থামতেও বলে না, আমি কিছুটা আতংকিত, সামনে পরিচিত যায়গা, অনেকেই চেনে আমাকে, আব্বাকে বলে দিলে বিপদ হবে :|

- রিমা, চল নদীর পাড়ে গিয়া বসি
- চল ...
 
বাকিটুকু পড়ুন ...
 
শ্রাবনী ...
লিখেছেন জয়   
Wednesday, 01 April 2009
 
ভেজা ভেজা ঠান্ডা বাতাশে কেঁপে উঠলো নোবেল। বাস থেকে নেমেই বুঝতে পারলো আজ রাতে জোস একটা ঘুম হবে। ছোট্ট ব্যাগটা হাতে নিয়ে বাড়ীর পথে দ্রুত পায়ে এগুলো সে। বৃস্টি আসার আগেই বাসায় পৌছাতে হবে। ছেলেদের একটা বয়স থাকে, যখন তাদের মধ্যে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সিক্সথ সেন্স জিনিশটা কাজ করে। তা না হলে রাস্তার মোড়ের বিশাল পাঁচতলা বাড়ীটার টপ ফ্লোরের বারান্দায় তার চোখ পড়ার কোন কারন থাকতে পারেনা। শ্রাবণী ..., এটা অবস্যই শ্রাবণী। অজান্তেই থেমে যায় নোবেল। েখনো মোবাইল ফোন জিনিশটা এতো চালু হয়নি, শ্রাবণীর মোবাইল নেই, কি করে ডাকবে সে শ্রাবণীকে? আর শ্রাবণী এখানেই বা এলো কি করে? ওর তো এখন ভার্সিটিতে থাকার কথা। শ্রাবণীর শেষ চিঠিটা পেয়েছিলো সে দুদিন আগেই, তখনো সে হলেই ছিল। অসহায় ভাবে এদিক সেদিক তাকায় নোবেল। বাতাশের যা শব্দ, নীচ থেকে চিৎকার করে ডাকলেও শ্রাবণী তার ডাক শুনতে পাবে না কোন ভাবেই। মোনে মোনে চিৎকার করে শ্রাবণী বলে ডেকে ওঠে সে। একবার, দুবার, তিনবার। শ্রাবণী শুনতে পায় না। মাথা ঘুরিয়ে অন্ধকার হয়ে আসা আকাশের দিকে দেখে নোবেল। আবার হাটতে শুরু করে বাসার দিকে।
বাকিটুকু পড়ুন ...
 
সাথী ...
লিখেছেন জয়   
Wednesday, 01 April 2009
পৃথিবীতে কিছু কিছু মানূষ আছে, যাদের জন্মই হয় ঝামেলায় পড়ে যাবার জন্যে। তারা যেখানেই যাক না কেন, ঝামেলা তাদের সাথে সাথে যায়। সে হলো তেমনই একজন মানূষ। ছেলেবেলা থেকে আজ পর্যন্ত কনো কাজ তার ঝামেলা ছাড়া শেষ হয়নি। প্রতিটা কাজ শুরু করার আগেই সে ভেবে নেয় কি কি ঝামেলা হতে পারে, কিন্তু তার কল্পনার সীমাবদ্ধতা প্রমাণ করতেই যেন নতুন নতুন ঝামেলা সৃষ্টি হয় প্রতিবার। ঝামেলায় থাকতে থাকতে তার মদ্ধে একটা ঝামেলা প্রিতী সৃষ্টি হয়েছে। এখন সে কেবল নিজেই ঝামালায় জড়িয়ে পরে না, বরং অন্যদের ঝামেলাও নিজের ঘাড়ে তুলে নায়।
বাকিটুকু পড়ুন ...
 
<< শুরু < আগে 1 2 3 পরে > শেষ >>

ফলাফল 1 - 4 মোট 9